এডমিন
গল্পের লেখা বসান
কাহিনি: রদ্দুরের সামনে রদ্দুরের বয়স ২৩। অনিলা নামের এক মেয়েকে সে গভীরভাবে ভালোবাসে। তিন মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। রদ্দুর অনিলার প্রতিটি হাসি, প্রতিটি ছোঁয়ায় নিজেকে ধন্য মনে করে। কিন্তু সে জানে না যে অনিলার মনে এখনো একটা অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আছে। অনিলার বয়স ১৯। তার শরীরটা যেন সৃষ্টির সেরা শিল্প। লম্বা ঘন কালো চুল কোমর ছাড়িয়ে নেমেছে, চামড়া দুধের মতো ফর্সা ও উজ্জ্বল, দুধ দুটো ভারী, টানটান ও উঁচু, কোমর সরু, নিতম্ব গোল ও নরম। তার শরীর অত্যন্ত সংবেদনশীল — সামান্য স্পর্শে তার শ্বাস দ্রুত হয়, ভোদা ভিজে যায়। বিয়ের পর রদ্দুরের সাথে তার সম্পর্ক ভালো, কিন্তু শারীরিক তৃপ্তি সে পুরোপুরি পায় না। আরিয়ানের বয়স ১৯। সে অনিলার কলেজের বন্ধু। ফিট শরীর, চওড়া কাঁধ, শক্ত বাহু, আত্মবিশ্বাসী চাহনি। তার নুনু অন্যান্য ছেলেদের তুলনায় বড় ও মোটা। অনিলার সাথে তার কোনো জোর করে বা নেশার ঘোরে সম্পর্ক হয়নি। সবাই স্বেচ্ছায় একদিন কলেজের পর একটা ছোট গেট-টুগেদারে গিয়েছিল। সেখানে হালকা ড্রিঙ্ক হয়েছিল। অনিলা নিজের ইচ্ছায় আরিয়ানকে তার শরীরের স্বাদ দিয়েছিল। আরিয়ান সেদিন অনিলার দুধ চুষেছিল, তার ভোদায় আঙুল দিয়ে আদর করেছিল। সেই রাতের পর থেকে অনিলা আরিয়ানের শরীরের আকাঙ্ক্ষায় জ্বলত। সেদিন সন্ধ্যা। আরিয়ান তাদের বাসায় এল। রদ্দুর তাকে আন্তরিকভাবে বসতে বলল। অনিলা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আরিয়ানকে দেখে তার শরীরে একটা শিহরণ অনুভব করল। সে পরে ছিল একটা পাতলা গোলাপি টপ আর ছোট শর্টস। তার দুধের আকৃতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। রদ্দুর চা বানাতে রান্নাঘরে গেলে আরিয়ান অনিলার কাছে এগিয়ে গেল। “অনিলা, তুই এখনো অতটা সুন্দর। বিয়ে হয়েও তোর শরীর যেন আরও আকর্ষক হয়েছে।” অনিলা লজ্জায় মাথা নিচু করল, কিন্তু তার চোখে আকাঙ্ক্ষা ছিল। “আরিয়ান… রদ্দুর আছে।” কিন্তু আরিয়ান তার হাত অনিলার কোমরে রাখল। ধীরে ধীরে তার পিঠ বুলিয়ে দিতে লাগল। অনিলার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল। রদ্দুর চা নিয়ে ফিরে এলে তারা স্বাভাবিক হয়ে গেল। কিন্তু রদ্দুর লক্ষ্য করল অনিলা আর আরিয়ানের মধ্যে একটা বিশেষ টান। তার মনে কষ্টের সাথে অদ্ভুত উত্তেজনা জাগল। রাত বাড়ার পর রদ্দুরকে একটা ছোট কাজে বাইরে যেতে হল। সে চলে যাওয়ার সাথে সাথে আরিয়ান অনিলাকে জড়িয়ে ধরল। দুজনে গভীর চুমু খেল। আরিয়ান অনিলার টপ খুলে তার ভরাট দুধ দুটো বের করে চুষতে লাগল। অনিলা “আহহ… আরিয়ান…” বলে কেঁপে উঠল। আরিয়ান অনিলার শর্টস খুলে তাকে বিছানায় শুইয়ে তার ভোদায় জিভ ঢুকিয়ে চাটতে শুরু করল। অনিলা পাগলের মতো কাঁপছিল, তার হাত আরিয়ানের মাথায় চেপে ধরেছিল। ঠিক তখন রদ্দুর ফিরে এল। সে সোফায় বসে পড়ল। তার নুনু পুরোপুরি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। সে দেখছিল তার স্ত্রী অন্য এক ছেলের কাছে কতটা আত্মসমর্পণ করছে। অনিলা রদ্দুরের দিকে তাকাল। তার চোখে সামান্য মায়া জাগল। সে আরিয়ানের কাছ থেকে সরে এসে রদ্দুরের সামনে হাঁটু গেড়ে বসল। রদ্দুরের প্যান্ট খুলে তার ছোট শক্ত নুনুটা মুখে নিয়ে আলতো করে চুষতে শুরু করল। “রদ্দুর… তুমি কষ্ট পাচ্ছ?” সে ফিসফিস করে বলল। এই দৃশ্য দেখে আরিয়ানের রাগ আর ঈর্ষা বেড়ে গেল। সে পিছন থেকে অনিলার কোমর ধরে তার বড় মোটা নুনু এক ঝটকায় অনিলার ভোদায় পুরোপুরি ঢুকিয়ে দিয়ে জোরে জোরে চোদতে শুরু করল। অনিলা মুখ থেকে রদ্দুরের নুনু বের করে জোরে চিৎকার করে উঠল, “আআআহহহ… আরিয়ান! চার… ব্যথা লাগছে… খুব জোরে হচ্ছে… আস্তে করো!” কিন্তু আরিয়ানের গতি কমল না। অনিলার শরীর সামনে-পিছনে দুলছিল। তার দুধ দুটো ঝুলে ঝুলে যাচ্ছিল। রদ্দুর সব দেখছিল, তার নুনু থেকে প্রি-কাম ঝরছিল। কিছুক্ষণ পর আরিয়ান নুনু বের করে অনিলাকে ঘুরিয়ে দিল। তাকে সোফায় রদ্দুরের পাশে বসিয়ে দিল। অনিলার পা ফাঁক করে ধীরে ধীরে তার বড় নুনু ভোদায় ঢুকিয়ে আবার আস্তে আস্তে চোদতে শুরু করল। অনিলা রদ্দুরের দিকে তাকিয়ে তার মাথাটা টেনে নিয়ে নিজের ভরাট দুধের মাঝে চেপে ধরল। রদ্দুর অনিলার দুধ চুষতে লাগল। অনিলা “উফফ… রদ্দুর…” বলে কেঁপে উঠল। আরিয়ান এই দৃশ্য সহ্য করতে পারল না। সে রদ্দুরকে জোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল এবং অনিলার চুল ধরে তার মুখের সামনে মুখ নিয়ে গর্জন করে বলল, “তুই আজকে শুধু আমার মাগি! তুই শুধু আমার! তোর শরীর, তোর ভোদা, তোর দুধ — সবকিছু আমার! রদ্দুরকে ছুঁবি না!” আরিয়ান তারপর অনিলাকে চিত করে শুইয়ে জোরে জোরে চোদতে লাগল। অনিলা বারবার অর্গাজমে চলে যাচ্ছিল। তার শরীর কাঁপছিল, চোখে জল এসে গিয়েছিল আনন্দে। শেষে আরিয়ান অনিলার ভিতরেই তার গরম বীর্য ঢেলে দিল। অনিলা ক্লান্ত হয়ে পড়ে রইল। সে একবার রদ্দুরের দিকে তাকাল। তার চোখে জটিল অনুভূতি। রদ্দুর সোফায় বসে নীরবে সব দেখছিল। তার নুনু এখনো শক্ত। আরিয়ান অনিলার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “তুই আমার। সেই রাতের পর কয়েকদিন রদ্দুরের জীবন নরকে পরিণত হয়েছিল। সে অফিসে বসে থাকলেও চোখের সামনে ভেসে উঠত অনিলার সেই রূপ — আরিয়ানের বড় নুনু ভোদায় ঢুকিয়ে কেঁপে ওঠা, জোরে জোরে চোদা খেয়ে “আহহ আরিয়ান… জোরে চোদ…” বলে চিৎকার করা, দুধ দুলিয়ে অর্গাজমে যাওয়া, ভোদা থেকে সাদা বীর্য গড়িয়ে পড়া। রদ্দুরের ছোট নুনু অফিসে বসেও শক্ত হয়ে যেত। সে বাথরুমে গিয়ে হাত মেরে শান্ত হতো। বাসায় ফিরে অনিলার দিকে তাকালে তার মনে দুটো ভাবনা খেলত। একদিকে ডিভোর্স দেওয়ার কথা, অন্যদিকে অনিলার ওই অসাধারণ গরম শরীর — ভরাট দুধ, টাইট ভোদা, নরম নিতম্ব — ছেড়ে থাকতে পারত না। সে রাতে অনিলাকে জড়িয়ে ধরত, কিন্তু চোদার সময় অনিলা শুধু চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকত। কোনো উন্মাদ আওয়াজ, কোনো নখ বসানো, কোনো “জোরে চোদ” বলা — কিছুই ছিল না। রদ্দুরের ছোট নুনু ঢুকিয়ে চোদতে চোদতে সে বুঝতে পারত যে অনিলা তার কাছে আর তৃপ্ত হয় না। একদিন রাতে রদ্দুর আর সহ্য করতে পারল না। সে অনিলাকে বলল, “আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি অনিলা। তোমাকে আরিয়ান যেভাবে চুদছিল, সেই রূপটা আমি আর দেখতে চাই। আমি ডিভোর্স দিতে চাইছিলাম, কিন্তু তোমার এই সুন্দর গরম শরীর ছেড়ে থাকতে পারছি না।” অনিলা চুপ করে রদ্দুরের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। পরের দিন সে আরিয়ানকে ডেকে আনল। সেই রাতে ঘরের আলো কমানো। অনিলা সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে বিছানায় শুয়ে আছে। আরিয়ান তার পাশে বসে অনিলার ঠোঁট জোরে চুষছে, জিভ চুষছে, গলায় কামড় দিচ্ছে। অনিলার দুধ দুটো শক্ত হয়ে আছে। আরিয়ান রদ্দুরের দিকে তাকিয়ে হাসল, “নে রদ্দুর, তোর বউয়ের ভোদায় তোর ছোট নুনুটা ঢোকা। আমি ওর মুখ চুষব।” রদ্দুর কাঁপা হাতে অনিলার উপর উঠল। সে তার ছোট শক্ত নুনু অনিলার ভোদায় ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে চোদতে শুরু করল। অনিলা “উফফ… রদ্দুর…” বলে আলতো শব্দ করল, কিন্তু তার ঠোঁট আর জিভ পুরোপুরি আরিয়ানের দখলে। আরিয়ান অনিলার ঠোঁট জোরে চুষছে, তার জিভ অনিলার মুখের ভিতর ঢুকিয়ে গভীর ফ্রেঞ্চ কিস করছে। অনিলার লালা আরিয়ানের মুখে মিশে যাচ্ছিল। রদ্দুর জোরে জোরে চোদছিল। তার ছোট নুনু অনিলার ভোদায় ঢুকছে-বেরোচ্ছে। কিন্তু অনিলার ভোদা তেমন শক্ত করে চেপে ধরছিল না। অনিলার শরীরটা আরিয়ানের চুমুতে সাড়া দিচ্ছিল বেশি। তার দুধ উঠানামা করছিল, কিন্তু চোখ আর মুখ আরিয়ানের দিকে। আরিয়ান অনিলার ঠোঁট থেকে মুখ না সরিয়ে বলল, “দেখ রদ্দুর, তোর বউয়ের ভোদা এখন আমার জন্যই ভিজে থাকে। তুই শুধু তোর ছোট নুনু দিয়ে আনন্দ নে। ওর আসল মালিক আমি।” রদ্দুর শেষ পর্যন্ত অনিলার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। কিন্তু তার মনে কোনো শান্তি আসেনি। বরং সে আরও পাগল হয়ে গিয়েছিল। সেই রাতের পর রদ্দুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল। সে আরিয়ানকে বলল, “আমি তোমাকে অনিলার উপর সম্পূর্ণ অধিকার দিলাম। তুমি যখন খুশি, যতবার খুশি ওকে চুদতে পারবে। ওকে মাগি বানিয়ে চুদো। কিন্তু আমি সবসময় দেখব। আমি ওর দুধ চুষব, ওর মুখে নুনু দেব, আর তুমি ওকে চুদবে। এটাই আমার শর্ত।” অনিলা লজ্জায় মাথা নিচু করল, কিন্তু তার ভোদা আবার ভিজে উঠেছিল। আরিয়ান হেসে রাজি হয়ে গেল। এরপর থেকে তাদের জীবন এক নতুন, বাজে ও উত্তেজক রূপ নিল। রদ্দুর প্রায় প্রতি সপ্তাহে আরিয়ানকে ডেকে আনে। আরিয়ান অনিলাকে জোরে চোদে, আর রদ্দুর সোফায় বসে দেখে বা কখনো অনিলার দুধ চুষতে থাকে। রদ্দুর এখন আর ডিভোর্সের কথা ভাবে না। সে অনিলার সেই আরিয়ানের কাছে পাগল হয়ে যাওয়া রূপ দেখেই তৃপ্ত।
সংরক্ষণ করুন
পাতাটি দেখুন →